প্রচ্ছদ

দু:শাসন টিকিয়ে রাখতেই বিরোধী কর্মীদের গুম করা হয়-মির্জা ফখরুল

2020/08/post_thumb-2020_08_30_18_09_52.png
গুম হওয়া মানুষদের স্মরণে আন্তর্জাতিক দিবস উপলক্ষ্যে এক বিবৃতিতে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছন, বাংলাদেশের সর্বত্র এখন গুম আতঙ্কে মানুষ। গুম ও বিচার বহির্ভূত হত্যাকান্ডের ঘটনা গুলো দু:শাসন টিকিয়ে রাখার জন্য উৎপন্ন হয়। ফ্যাসিবাদি সরকারের নিজেদের মত করে গড়ে তোলা আইন প্রয়োগকারী সংস্থার পরিচয়ে বিরোধী দলের প্রতিবাদী নেতাকর্মীদেরকে তুলে নিয়ে যাওয়ার পার গুম করা এখন নিত্যদিনের ঘটনা হয়ে দাড়িয়েছে। এই দু:শাসন থেকে মুক্তির জন্য মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

বিবৃতিতে তিনি উল্লেখ করেন, দেশে দু:শাসনের একটি বড় নমুনা হচ্ছে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার পরিচয়ে মানুষকে গুম করা। বর্তমান শাসকগোষ্ঠী ক্ষমতায় আসার পর থেকেই গুমকে রাষ্ট্রীয় নিপীড়নের সংস্কৃতি হিসাবে গড়ে তুলেছে। বিরোধী দলকে নিশ্চিহ্ন করে দিয়ে একদলীয় শাসন ব্যবস্থা টিকিয়ে রাখার জন্যই গুমকে হাতিয়ার হিসাবে ব্যবহার করছে সরকার। তিনি বলেন, গুমের নৃশংস শিকার হয়েছেন, বিএনপি’র কেন্দ্রীয় নেতা এম ইলিয়াস আলী, সাইফুল ইসলাম হিরু, চৌধুরী আলম, সুমন, জাকির সহ আরো অনেকেই। এছাড়া গুমের স্বীকার হয়েছিলেন, সাবেক মন্ত্রী ও দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন আহমেদ। দুই মাস গুম করে রাখার পর তাঁকে পাশবর্তী দেশে পাচার করা হয়। এই ঘটনা দেশবাসীকে এক অজানা আতঙ্কে উদ্বিগ্ন করে তুলেছে।

তিনি বলেন, প্রিয়জনদের ফিরে পাবার প্রত্যশায় গুম হওয়া মানুষদের স্বজনরা পথের দিকে চেয়ে আছেন। এই প্রত্যাশা যে কতটা বেদনাদায়ক তা কেবল তারাই বুঝেন, যাদের স্বজন গুম হয়েছেন। তিনি বলেন, গুমের মত নিষ্ঠুর, মানবতা বিরোধী অপরাধ গুলোর মূল লক্ষ্য হচ্ছে, বিরোধী কন্ঠকে নির্মূল করা এবং দু:শাসনের সমালোচনার অবসান ঘটনো।

তিনি বলেন, গুমের মত জঘন্য অপরাধের ফলে দেশে তৈরি হয়েছে এব ভয়ঙ্কর নৈরজ্য। জনসমর্থনহীন ও ভোটরবিহীন সরকারের টিকে থাকার অবলম্বনই হচ্ছে গুম। এমন গুমের ধারা অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশ অরাজকতার অন্ধকারে ডুবে যাবে। বিপর্যয়ে পড়বে মানুষের স্বাভাবিক জীবন-যাপন।

মন্তব্য